আ. লীগ আমলে কারবরণ করা ব্যক্তি কিভাবে ওই দলের অর্থদাতা হয়, প্রশ্ন সেলিম প্রধানের স্ত্রীর
BANGLAR NARAYANGANJ | Banglar Narayanganj প্রকাশিত: Sep 27, 2026
জাপান-বাংলাদেশ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক রাজনৈতিক মামলা তাকে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার স্ত্রী ও রাশিয়ার নাগরিক আনা প্রধান। তিনি এসব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে সুষ্ঠু বিচার ও মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে তিনি জানিয়েছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে আমার স্বামীকে ষড়যন্ত্র করে কারাগারে আটকে রেখেছিল। অথচ ৫ আগস্টের পর উল্টো আমার স্বামীকে আওয়ামী লীগ দলটির অর্থদাতা আখ্যা দিয়ে জেলে পাঠানো হলো। ফলে আমার স্বামী ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে তা একেবারে স্পষ্ট।
সম্প্রতি আক্ষেপ করে দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তার স্বামীর ন্যায় বিচার ও মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সেলিম প্রধানের স্ত্রী আনা প্রধান ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে বলেন, একজন অসহায় মানুষ হিসেবে আপনাদের কাছে এই আবেদন জানাচ্ছি। ২০১৯ সালে আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করে রানওয়ে প্লেন থেকে নামিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বৈআইনীভাবে তাকে গ্রেফতার করে “ক্যাসিনোর গডফাদার” হিসেবে উপস্থাপন করে কারাগারে পাঠানো হয়। সেসময় রিমান্ডে রেখে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অথচ আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, আমার স্বামী কখনোই ক্যাসিনো কর্মকান্ডে জড়িত ছিলো না- তাকে অন্যায় ভাবে ফাসাঁনো হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা ও সাজানো মামলায় তিনি চার বছরেরও বেশি সময় কারাগারে কাটিয়েছেন। কিন্তু আজ অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, যে মানুষটি নিজেই আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যায়ের ভুক্তভোগী ছিলেন, তাকেই এখন ‘আওয়ামী লীগ” তকমা দিয়ে একের পর এক মামলায় জড়িয়ে কারাগারে আটকে রাখা হচ্ছে। এমনকি একটি মামলায় জামিনের প্রক্রিয়া এগোলে অন্য মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, যেসব মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, সেসব মামলার কোনো এজাহারেই তার নাম নেই।
তিনি আরও বলেন, একজন স্ত্রী হিসেবে আমার প্রশ্ন-কেন বারবার একই মানুষকে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে? আমার স্বামী জাপানে বড় হয়েছেন। বিদেশে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনযাপনের সুযোগ তার ছিল। কিন্তু তিনি বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন এই দেশকে ভালোবেসে, দেশের মানুষের জন্য কিছু করার স্বপ্ন নিয়ে। তিনি বিভিন্ন সময় সামাজিক কর্মকান্ডে অংশ নিয়েছেন, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দেশের বিভিন্ন সংকটে নিজের অবস্থান থেকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছেন। অথচ তার প্রতি আজ কেন অবিচার হচ্ছে। তার ন্যায় বিচারের দাবি জানাচ্ছি এবং মুক্তির দাবি করছি।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বারিধারার নেক্সাস ক্যাফে প্লেস থেকে সিসা বার পরিচালনার অভিযোগে সেলিম প্রধানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই মামলায় তাকে জেলে প্রেরণ করা হয়। পরে ২০ অক্টোবর মাদকের মামলায় ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আফরোজা শিউলি সেলিম প্রধানের জামিন মঞ্জুর করেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক মামুন তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে (বৈষম্য বিরোধী) অপর একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। সেই মামলায় তাকে আওয়ামী লীগের অর্থদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত শুনানি শেষে আবেদনটি মঞ্জুর করেন। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তিনি জেলে রয়েছেন।
এ ঘটনায় ইতোমধ্যে সেলিম প্রধান কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ তুলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ডিএমপি, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে নানা তথ্য ও প্রমাণাদি সরবরাহ করে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে। সেই সাথে মিথ্যা মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
লিখিতভাবে বলা হয়েছে, সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে একের পর এক রাজনৈতিক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও হয়রানিম‚লক মামলায় জড়িয়ে পুনরায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নতুন মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে -সেলিম প্রধান নাকি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের আর্থিক ও কৌশলগত সহায়তাকারী এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের নির্দেশদাতা। সেলিম প্রধান আওয়ামী লীগসহ কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনদিন জড়িত ছিলেন না। তাছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি চার বছর কারাভোগ করেছেন। যদি তিনি সত্যিই ওই দলের ঘনিষ্ঠ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হতেন, তবে একই সরকারের আমলে তাকে কারাবরণ করতে হতো না। এতে প্রমাণ করে মামলার বিষয়টি ষড়যন্ত্রের একটি বড় অস্ত্র।
লিখিতভাবে বলা হয়েছে, সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে একের পর এক রাজনৈতিক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও হয়রানিম‚লক মামলায় জড়িয়ে পুনরায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নতুন মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে -সেলিম প্রধান নাকি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের আর্থিক ও কৌশলগত সহায়তাকারী এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের নির্দেশদাতা। সেলিম প্রধান আওয়ামী লীগসহ কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনদিন জড়িত ছিলেন না। তাছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি চার বছর কারাভোগ করেছেন। যদি তিনি সত্যিই ওই দলের ঘনিষ্ঠ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হতেন, তবে একই সরকারের আমলে তাকে কারাবরণ করতে হতো না। এতে প্রমাণ করে মামলার বিষয়টি ষড়যন্ত্রের একটি বড় অস্ত্র।
Box-4 বিভাগের আরো খবর
-
জামায়াতের মত মুনাফেক দল পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়নি : ফজলুর রহমান
-
অপহরণ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ী সোহাগের আবেদন
-
বিএনপির নেতাকর্মীরা কখনো শেখ হাসিনার মত দেশ ছেড়ে পালায়নি : এমপি আজাদ
-
আ. লীগ আমলে কারবরণ করা ব্যক্তি কিভাবে ওই দলের অর্থদাতা হয়, প্রশ্ন সেলিম প্রধানের স্ত্রীর
-
গুপ্তদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন মামুন মাহমুদ
-
নৈরাজ্যকারীদের প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিলেন এমপি আজাদ
-
ট্রলারডুবিতে ৪ মৃত্যর জন্য দায়ী কে?
-
নারায়ণগঞ্জে বিশেষ সংকেতে চলছে পাসপোর্ট ব্যবসা!
-
ব্যবসায়ী সোহাগ অপহরণের ঘটনায় এখনো আতঙ্ক কাটেনি, সুষ্ঠু বিচারের অপেক্ষা
-
আড়াইহাজারে আওয়ামীলীগের বালাই নাই, বিএনপি সুসংগঠিত : এমপি আজাদ
-
অপহরণের ঘটনা আড়াল করতে জুয়েলের স্ট্যান্ডবাজি
-
নিহতের পরিবারকে সুষ্ঠু বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলেন এমপি নজরুল ইসলাম আজাদ
-
পার্লারের কর্মী সেজে দুই গৃহবধূর স্বর্ণালঙ্কার লুট
-
রূপগঞ্জে ১১০৭ বোতল এসকাফ সিরাপসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
-
সন্ত্রাসী জাহিদ বাহিনীর তান্ডবে বাড়ছে আতঙ্ক
-
ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর সেতুর অভাবে ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ
-
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সীমান্ত হত্যায় তিন ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড
-
পুলিশের সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ীদের গোলাগুলি, অস্ত্র সহ আটক ২
-
ফতুল্লায় নারী নির্যাতন মামলার আসামি রাসেল গ্রেপ্তার
-
জাকির খানের সাথে সাক্ষাৎ করলেন দেওভোগ মাদ্রাসার ছাত্র প্রতিনিধিরা
আপনার মতামত লিখুন :