পেশিশক্তি প্রদর্শনের অভিযোগে বহিষ্কৃত দুই নেতা ফিরছেন যুবদলে


BANGLAR NARAYANGANJ | Banglar Narayanganj প্রকাশিত: Oct 25, 2026 পেশিশক্তি প্রদর্শনের অভিযোগে বহিষ্কৃত দুই নেতা ফিরছেন যুবদলে
পেশিশক্তি প্রদর্শন ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত নারায়ণগঞ্জের দুই যুবদল নেতা মোফাজ্জল হোসেন আনোয়ার ও মাসুদুর রহমান মাসুদকে স্বপদে বহাল করা হয়েছে। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

আনোয়ার নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মাসুদ ফতুল্লা থানা যুবদলের আহ্বায়ক। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নীতি ও আদর্শপরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য তাঁদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্তে তাঁদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিজ নিজ পদে বহাল করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এর আগে গত ৮ জুন পেশিশক্তি প্রদর্শনসহ সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আনোয়ারকে বহিষ্কার করা হয়। তখন তাঁর সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখতে নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছিল।

ওই সিদ্ধান্তের আগে ৬ জুন সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলে দোকান নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জাফরুল হাসান লিসানকে গুরুতর জখম করার অভিযোগ ওঠে আনোয়ারের বিরুদ্ধে। লিসানের অভিযোগ ছিল, দোকান নির্মাণের সময় তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।

এ ছাড়া ২০২৫ সালে সিদ্ধিরগঞ্জের একটি ডাকাতি মামলায় যুবদলের আনোয়ারের ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল। 

অন্যদিকে গত ১০ এপ্রিল দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মাসুদুর রহমান মাসুদকে বহিষ্কার করা হয়। এর আগের দিন ফতুল্লার চাঁদনী হাউজিং এলাকায় একটি পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে এক শিশুসহ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ ও আহত হন।

তখন জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর রহমান রনি অভিযোগ করেছিলেন, রাজনৈতিক প্রভাব ও পেশিশক্তি ব্যবহার করে মাসুদ ওই ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর জেরে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।