নারায়ণগঞ্জ বারে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দুই পক্ষের হাতাহাতি
BANGLAR NARAYANGANJ | Banglar Narayanganj প্রকাশিত: Oct 6, 2026
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির (বার) ভবনে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটেছে। পরে আদালতপাড়ায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও তে দেখা যায়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ও তার অনুসারী আইনজীবীদের সাথে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আজাদ জাকির ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক নয়নের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা আরও উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি করে একে অপরের ওপর চড়াও হন। এ সময় আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম আনোয়ার প্রধানকে সাখাওয়াত হোসেন খানের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ সময় পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেনকে রক্ষা করতে তার দেহরক্ষী পুলিশ সদস্যকেও বেগ পেতে দেখা যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও তে দেখা যায়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ও তার অনুসারী আইনজীবীদের সাথে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আজাদ জাকির ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক নয়নের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা আরও উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি করে একে অপরের ওপর চড়াও হন। এ সময় আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম আনোয়ার প্রধানকে সাখাওয়াত হোসেন খানের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দিতে দেখা যায়। এ সময় পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেনকে রক্ষা করতে তার দেহরক্ষী পুলিশ সদস্যকেও বেগ পেতে দেখা যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলা আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আদালতপাড়ায় বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের মধ্যে দু’টি গ্রুপ সৃষ্টি হয়েছে। আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম আনোয়ার প্রধান ও পিপি আবুল কালাম আজাদ জাকির একটি গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন, অন্যদিকে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান এবং সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ন কবির অপর গ্রুপে আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবী ও সাংবাদিকরা বলেন, দুইপক্ষের আইনজীবীরা আদালতপাড়ায় আইনজীবী সমিতির ভবনের দ্বিতীয় তলায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি কক্ষে দুপুরের খাবার খেতে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাদের মধ্যে আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল। আসন্ন নির্বাচন, আওয়ামী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপির দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে আপত্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের স্থানান্তর নিয়ে উভয়পক্ষের আলোচনার এক পর্যায়ে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানও লাঞ্ছিত হন। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আজাদ জাকির ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক নয়ন সহ উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার প্রধান পরে সাংবাদিকদের বলেন, সাখাওয়াত হোসেন ও তার অনুসারীরা আমাদের দিকে তেড়ে এসে হামলা চালায় ও গালিগালাজ করেন। তারা এডিশনাল পিপি ওমর ফারুক নয়নকে মারধর করেন। পরে আমরা প্রতিবাদস্বরূপ তাদের এক ঘন্টারও বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রেখেছি।
পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির বলেন, সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জ কোর্টকে দুইভাবে বিভক্ত করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছেন। যারাই তার মতের বিরুদ্ধে যাচ্ছে তাদেরকে হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আজ এ ঘটনা ঘটেছে।
আইনজীবী সমিতির সভাপতি সরকার হুমায়ূন কবির বলেন, “সাখাওয়াত হোসেন সহ অন্যদের নিয়ে আমার রুমে খাওয়া-দাওয়া করছিলাম। পাশের রুম থেকে সেক্রেটারির লোকজন উসকানিমূলক ‘বাজে আওয়াজ’ দিচ্ছিলো। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। আমার মনে হয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই হয়তো ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তারা নিজেদেরকে চিনতে ভুল করেছে। এগুলো নিজেদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য করা হয়েছে। এরে পেছনে কার ইন্দন রয়েছে তা দেখা দরকার।
কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ বলেন, “আসন্ন আইনজীবী সমিতির নির্বাচন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাক-বিতন্ডার ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
প্রধান খবর বিভাগের আরো খবর
-
ফতুল্লা পাইলটে জিপিএ-৫ পাওয়া ৪৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা
-
ফ্যাসিস্ট সরকার হিন্দুদের বিএনপি থেকে দূরে রেখেছিল : রাকিব
-
নারায়ণগঞ্জ বারে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দুই পক্ষের হাতাহাতি
-
রাজপথে আন্দোলনে সক্রিয় রনিকে চায় নেতাকর্মীরা
-
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জশনে জুলুসে মানুষের ঢল
-
ট্রলারডুবিতে ৪ মৃত্যর জন্য দায়ী কে?
-
জামায়াতের মত মুনাফেক দল পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়নি : ফজলুর রহমান
-
অস্ত্র হাতে যুবকের ভিডিও ভাইরাল
-
নারায়ণগঞ্জে বিশেষ সংকেতে চলছে পাসপোর্ট ব্যবসা!
-
নিরাপত্তার স্বার্থে অস্ত্র ফেরত চেয়ে ব্যবসায়ী নেতা সোহাগের আবেদন
-
রাজপথে আন্দোলনে সক্রিয় রনিকে চায় নেতাকর্মীরা
-
ট্রলারডুবিতে ৪ মৃত্যর জন্য দায়ী কে?
-
নিরাপত্তার স্বার্থে অস্ত্র ফেরত চেয়ে ব্যবসায়ী নেতা সোহাগের আবেদন
-
নবাগত পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণ
-
শিক্ষাখাতকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে হবে: এমপি আজাদ
-
অপহরণের ঘটনা আড়াল করতে জুয়েলের স্ট্যান্ডবাজি
-
নিহতের পরিবারকে সুষ্ঠু বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলেন এমপি নজরুল ইসলাম আজাদ
-
পার্লারের কর্মী সেজে দুই গৃহবধূর স্বর্ণালঙ্কার লুট
-
রূপগঞ্জে ১১০৭ বোতল এসকাফ সিরাপসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
-
সন্ত্রাসী জাহিদ বাহিনীর তান্ডবে বাড়ছে আতঙ্ক
আপনার মতামত লিখুন :